ইতিবাচক চিন্তা যেভাবে বদলে দিতে পারে জীবন
গ্লাস অর্ধেক খালি, না কি অর্ধেক পূর্ণ, এই ছোট্ট প্রশ্নই অনেক সময় মানুষের চিন্তার ধরন সম্পর্কে ধারণা দেয়। আপনি জীবনকে কিভাবে দেখেন, কতোটা আশাবাদী বা হতাশাবাদী, তার প্রভাব শুধু মানসিক অবস্থায় নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও পড়তে পারে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আশাবাদ ও হতাশাবাদের মতো ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক সুস্থতার সম্পর্ক রয়েছে। ইতিবাচক চিন্তা মানে খারাপ পরিস্থিতিকে অস্বীকার করা নয়; বরং কঠিন পরিস্থিতিকে তুলনামূলক ইতিবাচক ও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইতিবাচক চিন্তার সঙ্গে বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা ও মানসিক যন্ত্রণার ঝুঁকি কমা, মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার উন্নতি ও চাপপূর্ণ পরিস্থিতির সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও সংক্রমণজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি কমার সঙ্গেও আশাবাদী মানসিকতার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
কোনো ঘটনার খারাপ দিককে অতিরঞ্জিত করা, সবকিছুর জন্য নিজেকে দায়ী করা কিংবা প্রমাণ ছাড়াই সবচেয়ে খারাপ ফল ধরে নেওয়া নেতিবাচক চিন্তার লক্ষণ হতে পারে।
নেতিবাচক চিন্তা থেকে বের হতে প্রথমে কোন্ বিষয়গুলো নিয়ে বেশি নেতিবাচক ভাবছেন তা চিহ্নিত করুন। এরপর নিজের চিন্তা যাচাই করুন এবং একই পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখার বিকল্প খুঁজুন। কঠিন সময়েও হাস্যরসের জায়গা রাখার চেষ্টা করুন।
মনে রাখতে হবে, ইতিবাচকভাবে চিন্তা করাও একটি নতুন অভ্যাস, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে যা গড়ে তোলা সম্ভব।
//রুশা//
