Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

Category - Top Banner
নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভে গিয়ে ফের আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভে গিয়ে ফের আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে গিয়ে আবারও আটক হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। বুধবার (৭ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনকালে পুলিশ তাঁদের পথ আটকে বাসে তোলে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী যন্তর মন্তরে জমায়েত হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ পর্যাপ্ত অনুমতি না থাকার কারণ দেখিয়ে বিরোধীদের আটকে দেয়। এর আগে সেন্ট্রাল দিল্লির একটি রেস্তোরাঁয় দলীয় নেতাদের সঙ্গে দুপুরের খাবারে অংশ নেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা। পুলিশ তাঁদের বাসে তোলার পর অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের আটকের সময় রাহুলসহ অন্য নেতারা বাস থেকে নেমে রাস্তায় বসে পড়েন। এ সময় পুলিশ সরে যাওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্রতিবাদ জানান। পরে পুলিশ দুই ভাই-বোনসহ অন্য বিক্ষোভকারীদেরও জোরপূর্বক বাসে তুলে নিয়ে যায়। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আহ্বানে আয়োজিত ওই মধ্যাহ্নভোজে বিরোধীরা ‘ভোট চুরি’র বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রায় ৩০০ জন এমপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমাদের বলা হয়েছে আমরা সেখানে বিক্ষোভ করতে পারবো না। তাই আজ আমাদের পরিকল্পনা হলো নির্ধারিত বিক্ষোভের স্থান যন্তর মন্তরে গিয়ে সবাই আবার একসঙ্গে বসা এবং দেশকে জানানো যে, আমাদের কাছে জ্ঞানেশ কুমার দেশের বৈধ নির্বাচন কমিশনার নন। মোদিজি, অমিত শাহজি, মোহন ভাগবত এবং জ্ঞানেশ কুমার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার আকাশবাণী ভবনে অনুমতি ছাড়া অবস্থান ধর্মঘটের ঘটনায় রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এই বিষয়ে রাহুল বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৫টি এফআইআর আছে। আমার লক্ষ্য ১০০টি পূরণ করা। এদিকে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে যেকোনো সমাবেশের জন্য অন্তত ১০ দিন আগে লিখিত অনুমতি নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। //আইই//

Advertisement
Advertisement