সৌদিতে দ্রুত সেনা পাঠাতে রাজি মক্কা প্রতিরক্ষা জোট
সংগৃহীত ছবি
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা দ্রুত পাঠানোর বিষয়ে একমত হয়েছে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। রিয়াদে হওয়া এক জরুরি বৈঠকের পর সোমবার (৫ অক্টোবর) এই তথ্য জানায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর।
পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও চলমান হুমকি মোকাবিলায় মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে অবিলম্বে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় আইন ও অনুমোদিত ব্যবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সরবরাহ করে সৌদি আরবে দ্রুত তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সামরিক সমন্বয় বাড়ানো এবং যৌথভাবে যেকোনো হুমকি প্রতিরোধের ক্ষমতা জোরদার করা।
বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো হুমকির নাম উল্লেখ করা না হলেও ইয়েমেন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হুথিদের হামলার বিষটি সামনে এসেছে। রিয়াদের এই বৈঠকে মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টার পাশাপাশি সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিলো এই জোটের অপারেশনাল কাঠামো চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া।
পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলে থাকা প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ গণমাধ্যমকে জানান, ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরব কিছু এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে। পাকিস্তান ও তুরস্কের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ অভিযানে শুধু সৌদি সেনারাই অংশ নিলেও তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, দুই দেশেরই রণক্ষেত্রে উপস্থিতি রয়েছে, তবে যুদ্ধ অভিযানে কেবল সৌদি সেনারা জড়িত। বর্তমানে পাকিস্তানি ও তুর্কি সেনাবাহিনী মূলত সহায়ক ও পর্যবেক্ষণমূলক ভূমিকা পালন করছে বলে জানান তিনি।
//আইই//
