চুয়েটে বেতন বন্ধের নির্দেশ, তারপর যা হলো!
বেতন পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। কিন্তু হঠাৎই আসে বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ। ক্ষোভে বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন তারা। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বেতন-ভাতা পরিশোধ করে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাধারণত প্রতি মাসের ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। মঙ্গলবার রাতে বেতন-ভাতা আটকে রাখার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর বুধবার সকালে ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন কর্মচারীরা। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাংকের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে প্রথমে কর্মচারীদের এবং পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়।
চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কোনো সময় আমাদের বেতন বন্ধ হয়নি। অথচ নতুন উপাচার্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিয়েছি।’
এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে ই-মেইল করে বেতন-ভাতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
উপাচার্য দাবি করেন, তাঁর পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানো ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’। তবে বুধবার সকালে বেতন পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যাংক ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক। উপাচার্যের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
//আরএস//
