Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

২৫ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

জুমার দিনে বেশি পড়বেন যে দোয়া
জুমার দিনে বেশি পড়বেন যে দোয়া

দোয়াটি হলো: আরবি: اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আযাবান নার। অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আজাব থেকে রক্ষা করুন। দোয়াটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? দোয়াটি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২০১ নম্বর আয়াতে রয়েছে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এ দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৩৮৯) এ দোয়ায় একই সঙ্গে দুনিয়ার কল্যাণ, আখেরাতের কল্যাণ এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি চাওয়া হয়েছে। ইসলাম দুনিয়ার দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বলে না; বরং দুনিয়ার জীবনে সৎভাবে জীবনযাপন, পরিবারের দায়িত্ব পালন ও আখেরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার শিক্ষা দেয়। জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময় সহিহ বুখারির একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে তিনি তাকে তা দান করেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৩৫) এই বিশেষ সময়টি কখন, তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে দুটি প্রসিদ্ধ মত রয়েছে। ১. খুতবা শুরু থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত একটি মত অনুযায়ী, ইমাম খুতবার জন্য উপস্থিত হওয়া থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়টি দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। এ বিষয়ে সহিহ মুসলিমে বর্ণনা রয়েছে। ২. আসরের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত আরেকটি প্রসিদ্ধ মত হলো, জুমার দিন আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত সময়টি দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। এ বিষয়ে সুনানে আন-নাসাঈসহ বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে বর্ণনা পাওয়া যায়। বিশেষ মুহূর্তটি নির্দিষ্ট করে নিশ্চিতভাবে জানা না যাওয়ায় জুমার পুরো দিনই বেশি বেশি দোয়া করা যেতে পারে। বিশেষ করে খুতবা ও নামাজের সময় এবং আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত সময়টিতে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যেতে পারে। /শান্ত/