Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

পাচার হয়ে রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধে ২০ বাংলাদেশির মৃত্যু: এসআরবি
পাচার হয়ে রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধে ২০ বাংলাদেশির মৃত্যু: এসআরবি

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামান। এই ঘটনায় মানব পাচার চক্রের অন্যতম হোতা জাবালে নূর ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মিজানুর রহমান (৫৫) ও আবু তাহের ওরফে লেন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এসআরবি জানিয়েছে, চলতি বছরের ৭ মে জাবালে নূর, আরএস ইন্টারন্যাশনাল ও টিএস গ্রুপ নামে ৩ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই ৩০ জন বাংলাদেশি রাশিয়ায় যান। নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে কাজের কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পৌঁছানোর পর প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে তাদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ২১ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, যাদের বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হয়েছে, আসলে তাঁরা কেউ যুদ্ধের মতো যোগ্য নয়। যুদ্ধের জন্য তাদের‍ শারীরিক, প্রশিক্ষণ বা কৌশল- কোনো ধরনেরই অনুশীলন ছিল না। তাহলে মাত্র ২১ দিনের প্রশিক্ষণে তাঁদের কেন পাঠানো হলো? আমরা যেটা বুঝতে পেরেছি, প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্তকরণের জন্য, এক ধরনের শিকার হিসেবে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। যখন প্রতিপক্ষ তাঁদের ওপর ড্রোন হামলা করে, তখন ওই দেশটি শত্রুপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করে। এসআরবি জানায়, যুদ্ধক্ষেত্রে ৩টি ভাগে (প্রথম ভাগ, মধ্যভাগ ও শেষভাগ) তাদের মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম দিনই ড্রোন হামলায় ১৭ জন মারা যান। পরে বিভিন্ন সময় আরও ৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। সবমিলিয়ে ৩০ জনের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান বলেন, জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন আহত অবস্থায় বাংলাদেশে ফিরেছেন। তাদের একজন রাজন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের আঘাতে তার কোমর ভেঙে যায় এবং শরীরের নিচের অংশ অবশ হয়ে পড়ে। বুকের ওপর ভর দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তিনি ক্যাম্পে পৌঁছান। বাকি আটজনের মধ্যে দুইজন মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য ছয়জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন। মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, এই মানব পাচারের সঙ্গে বাংলাদেশি চক্রের পাশাপাশি রাশিয়ার ইগর নামের এক ব্যক্তি ও কিরগিজস্তানের জুলিয়া নামের এক নারী যুক্ত ছিলেন। তাঁদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলছে। চক্রের আরেক সদস্য মোস্তাফিজুরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। /এমএএইচ/

নিউমোনিক প্লেগ কি ফিরতে পারে? রাশিয়ার ঘটনায় আতঙ্ক গোটা বিশ্বে
নিউমোনিক প্লেগ কি ফিরতে পারে? রাশিয়ার ঘটনায় আতঙ্ক গোটা বিশ্বে

ইঁদুরের মলমূত্র, দেহাবশেষ থেকে ছড়ায় এই রোগ। আরও দু’রকম প্লেগ আছে- সেপ্টিসেমিক প্লেগ ও নিউমোনিক প্লেগ। সেপ্টেসেমিক প্লেগে গোটা শরীর সংক্রমিত হয়, আর নিউমোনিক প্লেগে ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটে। ‘ইয়ার্সিনিয়া পেস্টিস’ নামে একপ্রকার ব্যাক্টেরিয়া এই রোগটির জন্য দায়ী। সাধারণত মাছিবাহিত হয়ে ওই ব্যাক্টেরিয়া মানুষের শরীরে ঢোকে ও সরাসরি ফুসফুসে হামলা করে। নিউমোনিক প্লেগের ব্যাক্টেরিয়া শরীরে ঢুকলে ফুসফুস বিকল হতে শুরু করে। ফলে ফুসফুসে জল জমতে থাকে ও মারাত্মক শ্বাসকষ্ট শুরু হয় রোগীর। সেই সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, কাশির সঙ্গে রক্তও বেরোতে থাকে। খুব তাড়াতাড়ি এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের শরীরে এই রোগ ছড়াতে পারে।