Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১ কার্তিক ১৪৩৩, ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জমি লিজ নিয়ে মাল্টা চাষে লাখপতি শারমিন
জমি লিজ নিয়ে মাল্টা চাষে লাখপতি শারমিন

২০২৩ সালের শেষ দিকে ৫ বছরের জন্য ২ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাল্টা চাষ শুরু করেন শারমিন। বাগানে লাগান ভিয়েতনামি ও বারি-১ জাতের চারা। প্রথম দিকে ফলন কম হলেও সময়ের সঙ্গে গাছ বড় হয়, বাড়তে থাকে ফলনও। শারমিনের ভাষ্য, জমির লিজ ও পরিচর্যাসহ অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে গত বছর ২ লাখ টাকার বেশি লাভ হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ লাখ টাকা মুনাফার আশা করছেন তিনি। চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা শারমিন জানান, তাদের এলাকায় সাধারণত ধান, সরিষা ও মৌসুমি ফসলের চাষ হয়। সেখানে মাল্টা চাষ শুরু করায় প্রথম দিকে অনেকের বিরূপ মন্তব্য শুনতে হয়েছে। তবে সেসব উপেক্ষা করে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে গেছেন তিনি। রেললাইনের পাশে তুলনামূলক দুর্গম এলাকায় অবস্থিত তার বাগানে এখন প্রতিদিনই মানুষ আসছেন। কেউ মাল্টা কিনছেন, কেউ চাষের পদ্ধতি জানতে চাইছেন। স্থানীয় বাজারে সবুজ মাল্টার দাম ও চাহিদা নিয়ে চ্যালেঞ্জ থাকায় নতুন করে এক বিঘা জমিতে অস্ট্রেলীয় হলুদ জাতের মাল্টা চাষ শুরু করেছেন শারমিন। নতুন জাতটি বাজারে ভালো সাড়া ফেলবে বলে আশা তার। চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া থেকে বাগান দেখতে আসা আনিসুল হক ও রায়হান আলী জানান, ফলন ও চাষের পরিবেশ দেখে তারা উৎসাহিত হয়েছেন। সুযোগ পেলে তারাও লাভজনক ফল চাষ শুরু করতে চান। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, উপযুক্ত পরিচর্যা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চললে মাল্টা চাষে ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। শারমিনকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ফল মেলায় তার বাগানের মাল্টা প্রদর্শনের পর এলাকার আরও কৃষক এই চাষে আগ্রহী হয়েছেন। /শান্ত/