কম দামে এলএনজি কিনতে গিয়ে ১২৩ কোটি টাকা গচ্চা
কম দামে এলএনজি কেনার আশায় আগের দরপত্র বাতিল করে নতুন করে দরপত্র ডেকেছিলো পেট্রোবাংলা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তেই উল্টো সরকারকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।
মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের দু’টি কার্গো কিনতেই এই বিপুল অর্থ গচ্চা যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই চার কার্গো এলএনজি কিনতে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চার কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন হয়। এর মধ্যে ১০ সেপ্টেম্বর স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে সৌদি আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ২৩ দশমিক ৯৮ ডলারে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা।
স্পট মার্কেটে ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরের কার্গোটি আরামকোর কাছ থেকে ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার, ১-২ অক্টোবরের কার্গো বিপি সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ২৮ দশমিক ০৩ ডলার এবং ৫-৬ অক্টোবরের কার্গো ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে ২৬ দশমিক ৬৬৮ ডলারে কেনা হচ্ছে।
জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, সোমবারের দরপত্রে ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরের জন্য বিপি সিঙ্গাপুর ২৫ দশমিক ৬২ ডলার এবং ৫-৬ অক্টোবরের জন্য ভিটল এশিয়া ২৫ দশমিক ৫০ ডলার দর দিয়েছিলো। দাম বেশি মনে হওয়ায় দরপত্র বাতিল করা হয়। মঙ্গলবার পুনরায় দরপত্র ডাকার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়ায় দাম বেড়ে যায়। ফলে দুই কার্গোতেই অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক কোটি ডলার।
১০ সেপ্টেম্বরের পর দেশে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে। বর্তমানে দৈনিক ২৩৪ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও তা বেড়ে ২৪৫ কোটি ঘনফুট হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
