এলএনজি নিয়ে দুঃসংবাদ পেলো বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সংকট আরও দীর্ঘ হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির (ফোর্স মেজার) মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে কাতারের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি। এর ফলে আগামী অক্টোবর পর্যন্ত কাতার এলএনজি সরবরাহ চুক্তি স্থগিত রাখবে। সরবরাহ বাতিলের এই তালিকায় পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশও রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
কাতারএনার্জি'র এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এশিয়া ও ইউরোপের বাজারে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়লো। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের ক্রেতাদের জানিয়েছে, তাঁদের এলএনজি কার্গো বাতিলের এই প্রক্রিয়া আগামী অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। একই সময়ে ইউরোপের কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও কাতার থেকে একই ধরনের নোটিশ পেয়েছে।
ইউরোপের অন্যতম ক্রেতা ইতালি'র জ্বালানি কোম্পানি এডিসন নিশ্চিত করেছে, কাতারএনার্জি তাদের গ্যাস সরবরাহ স্থগিত রাখার সময়সীমা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। গত এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে এডিসনের মোট ২৯টি এলএনজি কার্গো বাতিল হয়েছে।
গত ৪ মার্চ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্নতা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কাতারএনার্জি প্রথম ফোর্স মেজরের ঘোষণা দেয়। এরপর মার্চেই কাতারের প্রধান গ্যাস রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।
