‘মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছি’, বাংলাদেশ ছাড়ার পর কোচের বিস্ফোরক দাবি
বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন জেরার্ড জোন্স। চাকরি হারানোর ৪ দিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাবেক এই কোচ দাবি করেছেন, বাংলাদেশে থাকার সময় তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, তাঁর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
জোন্সের দাবি, ফুটবলে তাঁর কাজ বা দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা মেরে ফেলার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
গত ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচের দায়িত্ব থেকে জোন্সকে সরিয়ে দেয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে টানা দুই ম্যাচ হারের পরই আসে এই সিদ্ধান্ত। তবে তাঁকে বরখাস্ত করার আনুষ্ঠানিক কারণ বিস্তারিত জানায়নি বাফুফে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট টিম হোটেলে সহকারী কোচ আতিকুর রহমানের সঙ্গে জোন্সের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দু'জনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়। পরে জোন্স ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডাকেন। ওই ঘটনার সঙ্গে তাঁর বিদায়ের সম্পর্ক রয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৯ সপ্তাহ কাজ করেছেন জোন্স। তাঁর ভাষ্য অনযায়ী, যুব ফুটবলের উন্নয়ন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা, স্থানীয় কোচ তৈরি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা ছিলো, কিন্তু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাননি তিনি।
নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের মূল্যায়ন মাত্র দু'টি ম্যাচের ফল দিয়ে না করার অনুরোধও জানিয়েছেন জোন্স। তাঁর মতে, এশিয়ার শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে বাংলাদেশকে খেলোয়াড় নির্বাচন, অবকাঠামো এবং উচ্চমানের ফুটবলার তৈরির প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।
