পুলিশকে মারধরের অভিযোগে আটক, ৪ ঘণ্টা পরই মুক্ত যুবদল নেতা
থানার ভেতরেই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে হাতাহাতি এরপর আটক যুবদল নেতা। চার ঘণ্টা হাজতে থাকার পর আবারও মিললো মুক্তি। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা পর্যায়ের দলীয় নেতাদের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানার গাড়ি রাখা নিয়ে থানার গাড়িচালক কনস্টেবল মো. শফিকের সঙ্গে ইসমাইলের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে শফিক আহত হন। পরে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
ঘটনার পর ইসমাইল হোসেনকে আটক করে হাজতে রাখা হয়। তাকে ছাড়িয়ে নিতে আটকের পর থেকেই সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে ভিড় করেন। এই সময় তারা থানার ভেতরে ও ওসির কক্ষের সামনে দলীয় স্লোগান দেন।
ইসমাইলের বাড়ি উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, রাত ৯টার দিকে গাড়ি রাখা নিয়ে কনস্টেবল ও গাড়িচালক মো. শফিকের সঙ্গে ইসমাইলের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে শফিক আহত হন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। এই ঘটনায় ইসমাইল হোসেনকে আটক করে হাজতে রাখা হয়েছিলো।
ওসি বলেন, ‘পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইসমাইলকে উপজেলা পর্যায়ের দলীয় নেতাদের জিম্মায় দিয়ে দেন।’
অর্থাৎ, রাত ৯টার দিকে আটকের পর প্রায় চার ঘণ্টা পর রাত ১টার দিকে ইসমাইল হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর বলেন, সামান্য কথা কাটাকাটির জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে। রাত ১টার দিকে থানা হাজত থেকে ইসমাইলকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই থানার সামনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও দলীয় স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
//রুশা//
