ঝাল বেড়েছে মরিচের, কেজিতে কতো?
মৌসুমের শেষ সময়ে সরবরাহ ঘাটতিতে প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। অতিবৃষ্টিতে সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং রাস্তাঘাটে জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীতে কাঁচা সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ, শিমসহ নানা ধরনের সবজি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির বাজারের চড়া দামের চিত্র দেখা গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ, মিরপুর, পান্থপথ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বাজারে শীতকালীন আগাম সবজি সিম দোকান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। প্রতি কেজি কাচামরিচ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা, কুমাড়া বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, প্রতি আঁটি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, কচুড় মুড়ি ৬০ টাকা, কাঁচা কলা হালিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
এছাড়া টমেটো কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। ঠেড়স কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৮০ টাকায়, দুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে, ফুলকপি ও পাতাকপি একই দামে পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। পটল বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬০ টাকায়। এ দিকে বাজারে সবচেয়ে কমদামে পাওয়া যাচ্ছে পেপে। কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।
সোনালী মুরগীর দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা বিক্রি হলেও কিছুটা দাম কমেছে ব্রয়লার মুরগীর দামে। ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৭০ টাকা করে।
দামের বিষয়ে কথা হয় কাচা সবজি বিক্রেতা ফারুকের সঙ্গে তিনি জানান, মৌসুমের শেষ সময়ে সবজি নেই। বৃষ্টির কারণে নতুন সবজি নষ্ট হচ্ছে। শীতের মৌসুমের সবজি বাজারে পর্যাপ্ত না আসলে বাজারের দাম কমবে না। দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পাইকারের থেকে সবজি কিনে কিছু টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি দাম কমলে আমরাও মানুষের কাছে কমে দিতে পারবো।
তবে অতিরিক্ত দামের কারনে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম। যারা বাজারে আসছেন তারাও নির্ধারিত টাকায় বাজার করতে হিমসিম খাচ্ছেন।
বাজারে আসা স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সাধারণত সবকিছুর দাম বৃদ্ধির প্রভাব কাচাবাজারেও পড়েছে তার উপর ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভ করতে বৃষ্টির অজুহাতে দাম আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছেন।
/শান্ত/
