মার্কিন হামলার জবাব, হরমুজে ১০ জাহাজে ইরানের হামলা
সংগৃহীত ছবি
ইরানের ৫টি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, জর্ডানে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে ১০টি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি'র দাবি, হামলার শিকার জাহাজগুলোর মধ্যে দু'টি মার্কিন জাহাজ এবং ৮টি তেলবাহী ট্যাংকার। এগুলো হরমুজ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ’ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলো। ইরানের হামলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইরানের ৫টি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, আইআরজিসি'র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪টি ট্যাংকার ওমান উপসাগরে এবং আরেকটি ট্যাংকারকে পারস্য উপসাগরের উপকূলের কাছে ইরানের খার্গ দ্বীপের কাছে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। খার্গ দ্বীপে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা রয়েছে।
এই হামলার জবাবেই জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। জর্ডানের দাবি, ইরান থেকে ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। বাকি দু'টি জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে।
ইরান এরই মধ্যে আরও প্রতিশোধমূলক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরগুলোর কাছে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নাবিকদের দ্রুত জাহাজ ছেড়ে যাওয়ারও সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান।
এদিকে, মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের নৌবাহিনী যে চালকবিহীন মার্কিন ‘সাবমেরিন ড্রোন’ জব্দের দাবি করেছে, সেটি এক দিনেরও বেশি আগে বিকল হয়ে গিয়েছিলো। মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্সের দাবি, ড্রোনটি পুরোনো মডেলের ছিলো এবং এতে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বা কোনো গোপনীয় সরঞ্জাম ছিলো না।
