শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে উপকারী যে ৬ খাবার
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য প্রোটিন, আয়রন, জিংক, কোলিন, ফোলেট ও ওমেগা-৩সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। তাই শিশুর খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।
চর্বিযুক্ত মাছ
স্যামন ও সার্ডিনের মতো তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্ক ও চোখের বিকাশে ভূমিকা রাখে। শিশুদের জন্য কম পারদযুক্ত মাছ বেছে নেওয়া ভালো।
বেরি জাতীয় ফল
ব্লুবেরি, স্ট্রবেরিসহ বিভিন্ন ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের উৎস। শিশুর সুষম খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল রাখা উপকারী।
সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, ব্রকলিসহ সবুজ শাকসবজিতে ফোলেট, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ থাকে। নিয়মিত সবজি খাওয়ার অভ্যাস শিশুর সামগ্রিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
বাদাম ও বীজ
আখরোটসহ বিভিন্ন বাদাম ও বীজে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বাদাম দেওয়ার সময় শ্বাসরোধের ঝুঁকি এড়াতে বয়স উপযোগীভাবে পরিবেশন করতে হবে।
ডিম
ডিমের কুসুমে কোলিনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। কোলিন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডিম শিশুদের জন্য প্রোটিনেরও ভালো উৎস।
ডার্ক চকোলেট
কোকোতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা থাকলেও শিশুর খাদ্যতালিকায় ডার্ক চকোলেটকে মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য অপরিহার্য খাবার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এতে চিনি ও ক্যালরিও থাকতে পারে। তাই অল্প পরিমাণে এবং বয়স উপযোগী সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে দেওয়া উচিত।
সব মিলিয়ে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে মাছ, ডিম, শাকসবজি, ফল, বাদাম, শস্য ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার মিলিয়ে বৈচিত্র্যময় খাদ্যতালিকা তৈরি করাই গুরুত্বপূর্ণ।
/শান্ত/
