নতুন ভাড়ার পরেও বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সরকার বাসের ভাড়া বাড়িয়েছে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা। নতুন ভাড়া কার্যকর হওয়ার পরই রাজধানীর বিভিন্ন রুটে শুরু হয়েছে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, আবার কোথাও ২০ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মিরপুর, ফার্মগেট, কাওরান বাজার ও শাহবাগ এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা না থাকায় যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহণকর্মীদের বাগ্বিতণ্ডাও হচ্ছে।
মিরপুরের সাগুফতা মোড় থেকে শাহআলী মার্কেট এলাকায় আগে ১০ টাকা ভাড়া দিলেও এখন ১৫ টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন এক যাত্রী। শাহবাগ থেকে গাবতলী রুটেও ২০ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজিমপুর থেকে মিরপুর রুটে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও ১০ টাকার পরিবর্তে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। মোহাম্মদপুর-মতিঝিল রুটে কোথাও ২০ টাকার ভাড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। কাওরান বাজার ও ফার্মগেট এলাকাতেও ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি নেওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
শুধু মহানগর নয়, দূরপাল্লার বাসেও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সায়েদাবাদে ঢাকা-কুয়াকাটা রুটে ২২০ টাকার ভাড়া ২৫০, ঢাকা-নবীনগরে ৩২০ থেকে ৩৫০ এবং ঢাকা-পিরোজপুরে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে কিছু পরিবহণে আগের ভাড়াই রাখা হয়েছে।
সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বড় বাসের ভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা। আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসে ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪০ পয়সা। নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে মঙ্গলবার থেকে।
কিন্তু নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও রাজধানীতে গতকাল ভাড়া তদারকিতে কোনো অভিযান দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, ভাড়া বাড়ানোর পর যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় ঠেকাতে কার্যকর নজরদারি কোথায়?
/শান্ত/
