ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম কেন পালন করা হয়?
আগামীকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। হিজরি বর্ষপঞ্জির রবিউস সানি মাসের ১১ তারিখে উপমহাদেশের মুসলমানরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।
ইসলামের প্রখ্যাত সুফি সাধক ও কাদেরিয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা হজরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর ওফাত দিবস স্মরণে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হয়। হিজরি ৫৬১ সালের ১১ রবিউস সানি বাগদাদে তিনি ইন্তেকাল করেন।
‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ একাদশ বা এগারো। এ উপলক্ষে দোয়া, ফাতেহা পাঠ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দরুদ ও দান-সদকার মতো ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করেন অনেকে।
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালনের ধরন ও ধর্মীয় বিধান নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ নির্দিষ্ট দিনকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিক আয়োজনকে শরিয়তসম্মত মনে করেন না, আবার অনেকে দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও দান-সদকাকে অনুমোদনযোগ্য মনে করেন।
বাংলাদেশেও দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আলোচনা, ওয়াজ ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
/শান্ত/
