Home - Header Banner

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Home - Before Lead

১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে  ন্যাশনাল ব্যাংক

আমানতকারীদের চাহিদা পূরণ ও তারল্য পরিস্থিতি সামাল দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক। এই ঋণের গ্যারান্টি হবে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুলত ঘুরে দাঁড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চায় ন্যাশনাল ব্যাংক। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা, যদিও সরাসরি ঋণ দেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। বিপুল পরিমাণ এই অর্থের যোগান দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। সোমবার (১২ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে আমানতের টাকা ফেরত দিতে আমানতকারীদের কাছ থেকে ১১ অক্টোবর থেকে আবেদন নেওয়া শুরু করে ন্যাশনাল ব্যাংক। ১৫ অক্টোবর থেকে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেবে ব্যাংকটি। জানা যায়, ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি'র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবীন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর আহমেদের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ড. মো. কবির আহাম্মদ, মো. সরোয়ার হোসেন ও মো. আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকটিতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলে গভর্নরকে জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও তিনি অবহিত করেন। এই সময় ন্যাশনাল ব্যাংকের সাম্প্রতিক তারল্য পরিস্থিতি এবং আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে রয়েছে বলে জানান গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা অটুট রাখা এবং ব্যাংকটির কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে ন্যাশনাল ব্যাংকের সব আমানতকারী যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের আমানতের অর্থ উত্তোলন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকটির সব শাখা ও এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেন গভর্নর। //কেআর//

common-led-news-7.jpg
After Lead
১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে  ন্যাশনাল ব্যাংক

১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে  ন্যাশনাল ব্যাংক

আমানতকারীদের চাহিদা পূরণ ও তারল্য পরিস্থিতি সামাল দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক। এই ঋণের গ্যারান্টি হবে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুলত ঘুরে দাঁড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চায় ন্যাশনাল ব্যাংক। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার কোটি টাকা, যদিও সরাসরি ঋণ দেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। বিপুল পরিমাণ এই অর্থের যোগান দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। সোমবার (১২ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে আমানতের টাকা ফেরত দিতে আমানতকারীদের কাছ থেকে ১১ অক্টোবর থেকে আবেদন নেওয়া শুরু করে ন্যাশনাল ব্যাংক। ১৫ অক্টোবর থেকে আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেবে ব্যাংকটি। জানা যায়, ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি'র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবীন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর আহমেদের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ড. মো. কবির আহাম্মদ, মো. সরোয়ার হোসেন ও মো. আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকটিতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলে গভর্নরকে জানান। একই সঙ্গে ব্যাংকের দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও তিনি অবহিত করেন। এই সময় ন্যাশনাল ব্যাংকের সাম্প্রতিক তারল্য পরিস্থিতি এবং আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে রয়েছে বলে জানান গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা অটুট রাখা এবং ব্যাংকটির কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে ন্যাশনাল ব্যাংকের সব আমানতকারী যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের আমানতের অর্থ উত্তোলন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকটির সব শাখা ও এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেন গভর্নর। //কেআর//

খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩২ শতাংশ, সামান্য কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফিতি

খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩২ শতাংশ, সামান্য কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফিতি

সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত 'ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক, সেপ্টেম্বর ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির গতি কমে আসায় বিগত আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার নিচে নেমে যাওয়ায় পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ হয়েছে। ফলে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির ব্যবধান বেড়ে দুই শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি হয়েছে। জিইডি জানিয়েছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও এর ভেতরের বিভিন্ন উপাদানে ভিন্নমুখী প্রবণতা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী চাপ এখনও বিদ্যমান। চালের দাম কমায় স্বস্তি খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে প্রধান কারণ চালের দাম কমে যাওয়া। জুলাইয়ে চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক ৬ শতাংশ থাকলেও আগস্টে তা আরও কমে ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ হয়েছে। এই সময়ে মাঝারি চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং সরু চালে ঋণাত্মক ৪ দশমিক ১২ থেকে কমে ঋণাত্মক ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়। মোটা চালের ক্ষেত্রে দরপতন ছিল সবচেয়ে বেশি; ঋণাত্মক ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ থেকে তা নেমেছে ঋণাত্মক ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশে। এর ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে চালের ঋণাত্মক অবদান জুলাইয়ের ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ২৭ দশমিক ৪৭ শতাংশে দাঁড়ায়। জিইডি জানিয়েছে, সব ধরনের চালে দাম কমার এ প্রবণতা প্রমাণ করে যে স্বস্তি কেবল নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, দীর্ঘদিন চালের দাম এভাবে কমতে থাকলে তা উৎপাদকদের উৎসাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি এমন প্রবণতার ওপর নজর রাখা জরুরি। মজুরি বৃদ্ধির গতি মন্থর মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও মজুরি বৃদ্ধির গতি মন্থর থাকায় সাধারণ পরিবারের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতায় টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। আগস্টে মজুরি বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে ৮ দশমিক ০৫ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হওয়ায় মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ পয়েন্ট নিচে নেমেছে। জুলাইয়ে এই ব্যবধান ছিল কেবল শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ পয়েন্ট। জিইডি জানায়, জুলাইয়ে এ ব্যবধান কিছুটা কমলেও আগস্টের চিত্রে উল্টো অবনতি দেখা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, 'এর ফলে আগস্টে শ্রমজীবী পরিবারগুলো তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার ক্ষেত্রে চাপের মুখোমুখি হয়েছে।' আগামীতে পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা মূলত নির্ভর করবে খাদ্যপণ্যের দাম কমার ধারা বজায় থাকা এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতের উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার ওপর। পরিবহন ব্যয়ের চাপ বহাল আগস্টে সামগ্রিক পরিবহন ব্যয়ের মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ হয়েছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তবে পরিবহন সেবার মূল্যস্ফীতি ১৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমেছে। তরল জ্বালানি- অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যস্ফীতি অপরিবর্তিত ছিল। এলপিজির ক্ষেত্রে তা ২৪ দশমিক ০৩ শতাংশ থেকে কিছুটা কমে হয়েছে ২৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। জিইডি জানায়, জ্বালানি পণ্যের দর স্থিতিশীল থাকা এটাই প্রমাণ করে যে মূল্যস্ফীতি হ্রাসে সরকার-নির্ধারিত বা জ্বালানি মূল্যের বড় কোনো ভূমিকা ছিল না। এডিপি বাস্তবায়ন বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পে ব্যয় দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি ছিল মন্থর। এই বাস্তবায়ন হার আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে মোট এডিপি ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ৭০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের (২০২৫-২৬) একই সময়ের (৫ হাজার ৭১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা) তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত (শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কম)। তবে চলতি অর্থবছরে এডিপির আকার বড় হওয়ায় বাস্তবায়নের হারে বড় পতন দেখা গেছে। কেবল আগস্টে এডিপি ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা আগের বছরের আগস্টের (৪ হাজার ৭০ কোটি ১৮ লাখ টাকা) চেয়ে ১১ দশমিক ৮ শতাংশ কম। ফলে আগস্টে একক মাসের এডিপি বাস্তবায়নের হার ১ দশমিক ৭১ শতাংশ থেকে নেমে ১ দশমিক ১৬ শতাংশে ঠেকেছে। তবে জিইডি জানায়, প্রকল্পের প্রস্তুতি, দরপত্র প্রক্রিয়া, অর্থ ছাড় এবং মাঠপর্যায়ের গতি বাড়িয়ে আগামী মাসগুলোতে বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার সুযোগ রয়েছে। - কেআর

আইএমএফ-এর নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে অস্বস্তি নেই, আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

আইএমএফ-এর নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে অস্বস্তি নেই, আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে তাদের অনেকগুলো বৈঠক হয়েছে এবং আগামী দুই দিন নতুন ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। এ বিষয়ে সরকার 'অবশ্যই আশাবাদী'। তিনি জানান, আইএমএফ-এর সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে অস্বস্তির কোনো কারণ নেই। আশা করছি, আইএমএফ আমাদের সঙ্গে একমত হবে। একমত না হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাইছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের অবস্থানের সঙ্গে মিল রয়েছে। দু-একটি বিষয়ে ভিন্নতা আছে। সেগুলো আমরা ধারাবাহিকতা অনুযায়ী বিবেচনা করছি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে অর্থনীতিতে একটা 'কুশন' বা সুরক্ষা বলয় দরকার জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'এজন্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশীপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সংস্থাটির একটি টিম বাংলাদেশ সফরে যাবে এবং সেখানেও আলোচনা হবে। আমি মনে করি আমরা সঠিক পথেই আছি। তিনি বলেন, 'এই পার্টনারশীপ এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে কেবল প্রজেক্ট ফিনান্স নয়, গ্লোবাল এনার্জি সেক্টর আনরেস্টেও কুশন দরকার। এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। বিশ্বব্যাংক আগেও সাপোর্ট করেছে, আগামী দিনেও সাপোর্ট করবে।’ অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার সকালে ব্যাংককে আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ঋণদাতা সংস্থাটির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন এবং অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, আগের সরকারের নেওয়া ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির শর্ত নিয়ে মতবিরোধের জেরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিদ্যমান কর্মসূচি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। বিএনপি সরকার মনে করে, কর্মসূচির কিছু শর্ত দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও জনস্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাজস্ব আহরণ, করব্যবস্থা, ভর্তুকি ও ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে মূলত এ মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। কর অব্যাহতি প্রত্যাহার, ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ এবং বিনিময় হার ব্যবস্থায় আরও নমনীয়তা আনার পাশাপাশি আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিতে বলেছে আইএমএফ। তবে এসব পদক্ষেপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কিছু শর্ত বাস্তবায়নে আপত্তি জানিয়েছে সরকার। আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ প্রায় ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছিল। পরে ওই কর্মসূচি স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আইএমএফ-এর কাছ থেকে নতুন করে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ প্যাকেজ নেওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। - কেআর

লিটনের সেঞ্চুরির পর ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

লিটনের সেঞ্চুরির পর ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

আবু ধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ দিনে সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন কুমার দাস। কাইস আহমেদের বল সীমানার বাইরে পাঠিয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরিতে পৌঁছান তিনি। লিটনের বিদায়ের পর ৭ উইকেটে ৩৭২ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ফলে আফগানিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৭৯ রান। সোমবার ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই ব্যক্তিগত ১৪ ও পরে ২৬ রানে জীবন পান লিটন। ৬২ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর ব্যক্তিগত ৬৭ রানেও একবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। রিভিউ না থাকায় সে দফায় রক্ষা পান এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১১৫ বলে ১৪ চারের মারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। তিন অঙ্ক ছুঁয়েই মোহাম্মদ সেলিম শফির বলে কট বিহাইন্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। লিটনকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া মেহেদী হাসান মিরাজও দু'বার ভাগ্যের ছোঁয়া পান। শেষ পর্যন্ত ৫ চারে ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মিরাজের এটি ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটি। দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় সোমবার মাত্র ৩৩.২ ওভারে ১৫৬ রান যোগ করে বাংলাদেশ। //আইই//

ভারতকে হারিয়ে লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশের রোমাঞ্চকর জয়

ভারতকে হারিয়ে লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশের রোমাঞ্চকর জয়

রবিবার (১১ অক্টোবর) শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় যুবরাজ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ভারত চ্যাম্পিয়ন্স। শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দলীয় ৩০ রানে ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন ইমরুল কায়েস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ওপেনার রনি তালুকদার। ২৫ বলে ৪০ রান করে দলের সংগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। শেষের দিকে নাসির হোসেনের ২১ বলে ২৪ এবং আরাফাত সানির ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান তোলে বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে ২৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন পীয়ূষ চাওলা। ১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ভারত। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৫৫ রানের মধ্যেই ৫ ব্যাটারকে হারায় যুবরাজ সিংয়ের দল। ঋষি ধাওয়ান ১৮ বলে ২৪ রান করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। শেষ দিকে পবন নেগি ও পীয়ূষ চাওলার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি ভারত। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। তিন ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। পেসার আবু জায়েদ রাহী নেন ২ উইকেট। বোলারদের নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ৩ রানের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স মাঠ ছাড়ে। /আকরাম/

ডি মারিয়ার ঝলক, বড় জয়ে শীর্ষে রোসারিও সেন্ট্রাল

ডি মারিয়ার ঝলক, বড় জয়ে শীর্ষে রোসারিও সেন্ট্রাল

আর্জেন্টিনার লিগা প্রফেশনালে ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে রিভাদিয়াকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে রোসারিও সেন্ট্রাল। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার দারুণ জোড়া গোলে এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে দলটি। রবিবার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ঘরের মাঠ গিগান্তে দে আরোইয়িতো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিলো দুই দল। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে রোসারিওকে প্রথম এগিয়ে নেন ডি মারিয়া। এরপর ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপজয়ী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গ্যাস্টন আভিলার ওপর ফাউল করে অ্যালেক্স আর্সে সরাসরি লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সফরকারী ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে রিভাদিয়া। একজন খেলোয়াড় কম নিয়ে খেলতে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল হজম করে। রোসারিওর হয়ে বাকি গোলগুলো করেন জামিন্টন কামপাজ, এনজো কোপেত্তি ও মার্কো রুবেন। এই জয়ে ১২ ম্যাচে ৬ জয় ও ৪ ড্রয়ে জোন 'বি'-এর শীর্ষে এবং সার্বিক পয়েন্ট তালিকার চার নম্বর স্থানে উঠে এসেছে রোসারিও সেন্ট্রাল। পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচে অ্যাতলেতিকো তুকুমানের মুখোমুখি হবে দলটি। অন্যদিকে ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে রিভাদিয়া তাদের পরবর্তী ম্যাচে ঘরের মাঠে তিগ্রেকে আতিথ্য দেবে। //আইই//

বিশ্বের দামি ফুটবলারদের তালিকায় আর্জেন্টিনার তিন তারকা

বিশ্বের দামি ফুটবলারদের তালিকায় আর্জেন্টিনার তিন তারকা

ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর বিশ্বের সবচেয়ে দামি আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন এনজো ফার্নান্দেজ। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রকাশিত সর্বশেষ ট্রান্সফার র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী এই মিডফিল্ডারের বাজারমূল্য পৌঁছেছে ১২ কোটি ইউরোতে। এই মূল্য এনজোকে কেবল দেশের খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষে রাখেনি, বিশ্ববাজারে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানেও নিয়ে গেছে। তাঁর সামনে শুধু রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, যাঁর বাজারমূল্য ১৩ কোটি ইউরো। স্বদেশি জুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো পাজের আগে অবস্থান করছেন এনজো। বিশ্বজুড়ে সেরা ২০ জন দামি খেলোয়াড়ের তালিকায় তাঁর অবস্থান ১১। দক্ষিণ আমেরিকান র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা পনেরোর ভেতর আরও কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার স্থান পেয়েছেন। সাড়ে ৮ কোটি ইউরো মূল্য নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন লাউতারো মার্টিনেজ। এছাড়া ৮ কোটি ইউরো নিয়ে নবম স্থানে নিকোলাস পাজ এবং ৭ কোটি ইউরো মূল্যায়ন নিয়ে চতুর্দশ স্থান অধিকার করেছেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। প্রকাশিত তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারদের মধ্যে ২২ কোটি ইউরো মূল্য নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল ও আর্লিং হলান্ড। ২০ কোটি ইউরো নিয়ে কিলিয়ান এমবাপে এবং ১৬ কোটি ইউরো নিয়ে জুড বেলিংহাম এই তালিকায় রয়েছেন। //আইই//

After Sports
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৮০ জন। রবিবার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৭ জনের মধ্যে সিলেটে ৩ জন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুরে একজন করে মারা গেছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট এক হাজার ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৫৮ জন। প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ১৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সন্দেহভাজন সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫ হাজার ২৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯৩ জন, যা নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ৪২১ জনে পৌঁছালো। অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে মোট এক লাখ ৮২ হাজার ৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৯ জন। //আইই//

পাকিস্তানে সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ২

পাকিস্তানে সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ২

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি ‘মুশশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। নিহত দুই পাইলট হলেন ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর মেজর হাসনাইন শেহজাদ হুমায়ুন এবং প্রশিক্ষণার্থী পাইলট ক্যাপ্টেন আব্দুল সামাদ। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরের দিকে কোয়েটার নওয়ান কিল্লি এলাকার কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অ্যাভিয়েশনের একটি মুশাক প্রশিক্ষণ বিমান হঠাৎ বিধ্বস্ত হয়। এতে দুই পাইলটই নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এর আগে জুন মাসে মুজাফফারাবাদের কাছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। সেটিতে থাকা সকল আরোহী নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া একই মাসে মারদান এলাকায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের সময় পাকিস্তান বিমান বাহিনীর আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট প্রাণ হারিয়েছিলেন। সূত্র: ডন /আকরাম/

সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ঢাকায় আটকা সাড়ে পাঁচ হাজার যাত্রী

সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ঢাকায় আটকা সাড়ে পাঁচ হাজার যাত্রী

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুথিদের হামলার ঘটনায় গত শনিবার (১০ অক্টোবর) থেকে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদ, দাম্মাম ও জেদ্দাগামী মোট ৫১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী। সোমবার বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ফ্লাইট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রীরা বর্তমানে দেশে আটকা পড়েছেন। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ৩টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ৩টিসহ মোট ১২টি ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে। এর বাইরে ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের ১৬টি, সালাম এয়ারের ৩টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি এবং ফ্লাই দুবাইয়ের ৫টিসহ মোট ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট। গত শনিবার রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত হন এবং আহত হন আরও ৩০৮ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সৌদি আরবের চারজন ছাড়াও ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিশরের একজন করে নাগরিক ছিলেন। এই ঘটনার পরদিন রবিবার ফের একই বিমানবন্দরে হামলা চালায় হুথিরা, যাতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত ও ১১ জন আহত হন। //আইই//

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড

২০২৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এই পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এ বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর্বে অর্থনীতিই ছিল শেষ বিভাগ। এর আগে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থনীতিতে এই পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক নাম ‘ব্যাংক অব সুইডেন প্রাইজ ইন ইকোনমিক সায়েন্সেস ইন মেমোরি অব আলফ্রেড নোবেল’। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে এই পুরস্কার চালু করে। আলফ্রেড নোবেল ছিলেন উনিশ শতকের সুইডিশ ব্যবসায়ী ও রসায়নবিদ। তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করেন এবং পাঁচটি নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন। তবে অর্থনীতির পুরস্কারটি মূল পাঁচটি নোবেল পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে প্রতিষ্ঠিত একটি পৃথক পুরস্কার। প্রচলিতভাবে অন্য নোবেল পুরস্কারগুলোর সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে এটি দেওয়া হয়। এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কারের অর্থমূল্য এক কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। মার্কিন মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ ডলার। একজন ব্যক্তি, একাধিক গবেষক কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠান—পুরস্কার বিজয়ী যে ধরনেরই হোন না কেন, নির্ধারিত অর্থমূল্য একই থাকে। /আকরাম/

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৮০ জন। রবিবার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৭ জনের মধ্যে সিলেটে ৩ জন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুরে একজন করে মারা গেছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট এক হাজার ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৫৮ জন। প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ১৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সন্দেহভাজন সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫ হাজার ২৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯৩ জন, যা নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ৪২১ জনে পৌঁছালো। অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে মোট এক লাখ ৮২ হাজার ৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৯ জন। //আইই//

After Lifestyle
ডিসেম্বরে তীব্র আকার ধারণ করবে এল নিনো: ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা

ডিসেম্বরে তীব্র আকার ধারণ করবে এল নিনো: ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা

জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু সংস্থা জানিয়েছে, প্রাকৃতিকভাবে সংঘটিত এই আবহাওয়া ঘটনাটি গ্রহের বেশিরভাগ অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করবে, যা মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) তাদের মাসিক বৈশ্বিক মৌসুমী জলবায়ু আপডেট প্রকাশ করে জানিয়েছে, ডিসেম্বরে পূর্বভাসিত চূড়ায় পৌঁছানোর আগে এল নিনো আরও তীব্র হতে থাকবে। ডব্লিউএমও প্রধান সেলেস্টে সাউলো বলেছেন, ‘এল নিনো শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে’। ডব্লিউএমওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বজায় থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ এবং এটি ১৯৫০ সালের পর থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর একটি হতে পারে। সাউলো ব্যাখ্যা করেন, এল নিনো গ্রহে নতুন কোনও তাপ যোগ করে না, বরং সাগরে জমা হওয়া তাপ মুক্ত করে। তিনি বলেন, এটি যে সাগর থেকে তাপ টানছে তা আমাদের পরিমাপ করা ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ সাগর। সেখানে মুক্তি দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত তাপ রয়েছে। মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা রেকর্ড মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া এবং অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও সম্প্রদায়গুলোকে প্রভাবিত করবে। এই এল নিনো ইতোমধ্যেই মধ্য আমেরিকার মতো কিছু অঞ্চলকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে, যেখানে খরায় গবাদি পশু ও ফসল মারা যাচ্ছে। -কেআর

Environment Sidebar

অনলাইন জরিপ

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষক বাজার চালুর উদ্যোগকে আপনি কতটা কার্যকর মনে করেন?

হ্যাঁ৫
না০
মন্তব্য নেই১

মোট ভোট: ৬

After Media Galleries
Namaz
ফজর --:--
জোহর --:--
আসর --:--
মাগরিব --:--
ইশা --:--

ঢাকা

Prayer Times Sidebar