Home - Header Banner

৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Home - Before Lead

পাচার হয়ে রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধে ২০ বাংলাদেশির মৃত্যু: এসআরবি

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামান। এই ঘটনায় মানব পাচার চক্রের অন্যতম হোতা জাবালে নূর ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মিজানুর রহমান (৫৫) ও আবু তাহের ওরফে লেন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এসআরবি জানিয়েছে, চলতি বছরের ৭ মে জাবালে নূর, আরএস ইন্টারন্যাশনাল ও টিএস গ্রুপ নামে ৩ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই ৩০ জন বাংলাদেশি রাশিয়ায় যান। নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে কাজের কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পৌঁছানোর পর প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে তাদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ২১ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, যাদের বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হয়েছে, আসলে তাঁরা কেউ যুদ্ধের মতো যোগ্য নয়। যুদ্ধের জন্য তাদের‍ শারীরিক, প্রশিক্ষণ বা কৌশল- কোনো ধরনেরই অনুশীলন ছিল না। তাহলে মাত্র ২১ দিনের প্রশিক্ষণে তাঁদের কেন পাঠানো হলো? আমরা যেটা বুঝতে পেরেছি, প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্তকরণের জন্য, এক ধরনের শিকার হিসেবে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। যখন প্রতিপক্ষ তাঁদের ওপর ড্রোন হামলা করে, তখন ওই দেশটি শত্রুপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করে। এসআরবি জানায়, যুদ্ধক্ষেত্রে ৩টি ভাগে (প্রথম ভাগ, মধ্যভাগ ও শেষভাগ) তাদের মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম দিনই ড্রোন হামলায় ১৭ জন মারা যান। পরে বিভিন্ন সময় আরও ৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। সবমিলিয়ে ৩০ জনের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান বলেন, জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন আহত অবস্থায় বাংলাদেশে ফিরেছেন। তাদের একজন রাজন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের আঘাতে তার কোমর ভেঙে যায় এবং শরীরের নিচের অংশ অবশ হয়ে পড়ে। বুকের ওপর ভর দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তিনি ক্যাম্পে পৌঁছান। বাকি আটজনের মধ্যে দুইজন মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য ছয়জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন। মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, এই মানব পাচারের সঙ্গে বাংলাদেশি চক্রের পাশাপাশি রাশিয়ার ইগর নামের এক ব্যক্তি ও কিরগিজস্তানের জুলিয়া নামের এক নারী যুক্ত ছিলেন। তাঁদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলছে। চক্রের আরেক সদস্য মোস্তাফিজুরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। /এমএএইচ/

common-led-news-7.jpg
After Lead
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৭০ লাখ ডলার বিনিয়োগে বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি

বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৭০ লাখ ডলার বিনিয়োগে বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি

এ লক্ষ্যে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকাস্থ বেপজা কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠানটির সাথে বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)-এর একটি ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নতুন এই কারখানায় ফুটওয়্যার এক্সেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজ কমপোনেন্টস, পেপার প্রোডাক্টস এন্ড প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়েলসসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক পণ্য তৈরি করা হবে, যেখানে প্রায় ২০০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মোঃ তানভীর হোসেন এবং কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক মি. ঝ্যাং ইউগিউ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিষ্ঠানটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭২০০ বর্গমিটার জমিতে তাদের কারখানা নির্মাণ করবে। নতুন এই কারখানাটি বার্ষিক ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাক্সেসরিজ, ২৪,০০০ ঘনমিটার ফোম, ব্যাগ ও লাগেজ কম্পোনেন্টস, ২ লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার পিস কাটিং ডাইস/মোল্ড তৈরি করবে। এখানে উৎপাদিত পণ্যসমূহ ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। উল্লেখ্য যে, একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি স্যুজ (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ থেকে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করা প্রথম প্রতিষ্ঠান। তারা ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে উৎপাদন চালু করেছে। একই অর্থনৈতিক অঞ্চলে দ্বিতীয় প্রকল্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার প্রতি বিনিয়োগকারীর আস্থার প্রতিফলন। এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। এ উপলক্ষে কেপিএসটি নিউ মেটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, “আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় আমরা এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।” চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন; নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল মোঃ মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস; নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ; নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে পরবর্তীতে প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ নামে দুটি পৃথক জোনে বিভক্ত করা হয়। সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ১৪টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে এবং ৩৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ থেকে মোট রপ্তানি হয়েছে ৬৮.২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য, মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৯৮.৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং কর্মসংস্থান হয়েছে ৪৪২৮ জন বাংলাদেশির। - কেআর

সচিবালয়ে বৈঠকের পর এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

সচিবালয়ে বৈঠকের পর এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

দেশে চলমান এলপিজি ব্যবসায়ীদের পূর্বঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এই ধর্মঘট প্রত্যাহারের কথা জানান। এর আগে গত ১২ অক্টোবর দেশের সব এলপিজি দোকান ১৫ ও ১৬ অক্টোবর বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা। বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। বৈঠকে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রীদের এমন সতর্কবার্তা ও আলোচনার পর ব্যবসায়ীরা কর্মসূচি থেকে সরে আসেন। //আইই//

এলএনজি আমদানিতে দু'টি নতুন প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন

এলএনজি আমদানিতে দু'টি নতুন প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন

দেশে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি সংক্রান্ত দু'টি পৃথক প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রাতে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জুম প্ল্যাটফর্মে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দু'টি সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিলো। অর্থমন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সিরাজ উদ-দৌলা খান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, চেনিয়ার মার্কেটিং ইন্টারন্যাশনাল এলএলপি এবং ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি সংগ্রহের সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট বিধি মেনে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলা হয়। অন্যদিকে, জাতীয় জরুরি চাহিদা মেটাতে এবং দেশে গ্যাসের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে দ্বিতীয় প্রস্তাবে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড, সাহারা এনার্জি রিসোর্স লিমিটেড এবং শেল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং মিডলইস্ট লিমিটেড এফজেডই থেকে এলএনজি কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। //আইই//

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অগ্রগতি এবং পণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির কাছ থেকে বাংলাদেশের আরও সহায়তা পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই কথা জানান। বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এই সময় তিনি বলেন, "বিগত দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেমন কিছু পাইনি। কিন্তু বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যেভাবে এগিয়েছে, তাতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেকগুলো এয়ারক্রাফট কিনছি, তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য ও কমোডিটি আমদানি করছি। তাই তাদের কাছ থেকে আমাদের জন্য বাড়তি সহায়তা আসা উচিত। তারা এ বিষয়ে একমত হয়েছে। এখন দেখা যাক।" আমির খসরু জানান, সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি ও যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমাদের অর্থনৈতিক নীতির মূল জোর হচ্ছে বিনিয়োগ। আমরা ঋণ থেকে সরে এসে সরাসরি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগের দিকে বেশি যেতে চাই।" যুক্তরাষ্ট্র থেকে এয়ারক্রাফট, তেল ও সয়াবিনের মতো পণ্য আমদানির বিষয়টি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠকে মার্কিন পক্ষের কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, "আমরা তাদের জোর দিয়ে বলেছি, বাংলাদেশ যখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এত বেশি আমদানি করছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন যদি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমর্থন না আসে, তাহলে আর কবে আসবে? আমরা যে সহায়তাগুলো আশা করছি, সেগুলো এখন আসা উচিত।" //আইই//

অফশোর বিডিং রাউন্ডের বিড দাখিলের সময় ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি

অফশোর বিডিং রাউন্ডের বিড দাখিলের সময় ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি

বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহের (আইওসি) সাথে সম্প্রতি আলোচনা ও তাদের অনুরোধের আলোকে অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ এর ডাটা সেলস প্যাকেজ আরো সহজলভ্য করা হয়েছে। সময় বৃদ্ধি ও ডাটা প্যাকেজ সহজলভ্যতায় আইওসি কোম্পানিসমূহের বিডিং রাউন্ডে অংশগ্রহণের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে আাশা করছে জ্বালানি বিভাগ। ইতোমধ্যে দরপত্র আব্হানকৃত দেশের ২৬টি তেল-গ্যাস ব্লকে বিদেশী কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণে আগ্রহ দেখাচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ২০২৬ সালের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত চীনের সিনোপেক, সিএনওওসি ইন্টারন্যাশনাল এবং তুরস্কের টার্কিশ পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি (টিপিএও) দরপত্রের আনুষ্ঠানিক তথ্যপ্যাকেজ বা 'প্রমোশনাল প্যাকেজ' কিনেছে। - কেআর

বিদেশী কোম্পানির আগ্রহ বাড়ছে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে, দরপত্র কিনেছে চীন ও তুরস্কের কোম্পানি

বিদেশী কোম্পানির আগ্রহ বাড়ছে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে, দরপত্র কিনেছে চীন ও তুরস্কের কোম্পানি

দেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য গত ২৪ মে দ্বিতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বাংলাদেশ। এতে বঙ্গোপসাগরের অগভীর সমুদ্রের ১১টি ও গভীর সমুদ্রের ১৫টিসহ মোট ২৬টি তেল-গ্যাস ব্লক আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর কাছে অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ২০২৬ সালের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত চীনের সিনোপেক, সিএনওওসি ইন্টারন্যাশনাল এবং তুরস্কের টার্কিশ পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি (টিপিএও) দরপত্রের আনুষ্ঠানিক তথ্যপ্যাকেজ বা 'প্রমোশনাল প্যাকেজ' কিনেছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিনোপেক দরপত্রের তথ্যপ্যাকেজ ও প্রয়োজনীয় নথির পাশাপাশি বিশেষায়িত 'ডেটা প্যাকেজ' কিনেছে। সমুদ্রের তলদেশের ভূতাত্ত্বিক গঠন এবং সম্ভাব্য তেল-গ্যাসের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্য দিয়ে দরপত্র প্রক্রিয়ার আরও অগ্রসর ধাপে পৌঁছানো সর্বশেষ বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানি হিসেবে যুক্ত হয়েছে সিনোপেক। এর আগে গত ১৭ আগস্ট সিএনওওসি ইন্টারন্যাশনাল আনুষ্ঠানিক তথ্যপ্যাকেজ কেনে। আর ২৩ জুলাই দরপত্রের নথি কেনে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের বিদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী শাখা টিপিএও। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বিপি, এক্সনমবিল, মারফি অয়েল, পেট্রোব্রাস ও কুফপেকের মতো বিশ্বের বড় জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে দরপত্র প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর দরপত্রের নথি কেনা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কারণ, সমুদ্রের তেল-গ্যাস ব্লকের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোম্পানিগুলো সাধারণত সংশ্লিষ্ট এলাকার ভূতাত্ত্বিক গঠন ও কারিগরি তথ্য বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে। পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন ও মাইনস) মো. শোয়েব বলেন, এখন পর্যন্ত ১০টি কোম্পানি তথ্যপ্যাকেজ কিনেছে। তবে দরপত্রের নথি কিনেছে তিনটি কোম্পানি। তিনি বলেন, "আমরা আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে আরও কয়েকটি বড় জ্বালানি কোম্পানি দরপত্রের নথি কিনবে। এ বিষয়ে এক্সনমবিল, বিপিসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।" আরও কোম্পানির আগ্রহ সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহের পর্যায়েও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পেট্রোবাংলার আনুষ্ঠানিক বিক্রির তথ্য অনুযায়ী, তথ্যপ্যাকেজ কেনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দেশীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। তথ্যপ্যাকেজ কেনা কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বেরিঞ্জিয়া পাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, ক্রিসএনার্জি, পিইএএল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড এবং ওনোডা ইনকরপোরেটেড। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রাইস্ট্যাড এনার্জি এবং দেশীয় অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডও তথ্যপ্যাকেজ কিনেছে। তালিকায় রয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইমপ্রেশন ভেঞ্চারস এজিও। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিনোপেক ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড তথ্যপ্যাকেজের পাশাপাশি দরপত্রের আনুষ্ঠানিক প্যাকেজ এবং বিশেষায়িত ডিএসপি-২ ও ১০ ডেটা প্যাকেজ কিনে দরপত্র প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়েছে। তথ্যপ্যাকেজে সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিক তথ্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে, দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর জন্য প্রমোশনাল প্যাকেজ ও বিশেষায়িত ডেটা প্যাকেজে আরও বিস্তারিত তথ্য থাকে। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে কোম্পানিগুলো দরপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এক্সনমবিল, বিপি ও এনির সঙ্গে আলোচনা সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে বিশ্বের বড় জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এক্সনমবিল, বিপি ও এনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল। সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্র আহ্বানের পরপরই পেট্রোবাংলার সঙ্গে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের বড় প্রতিষ্ঠান এক্সনমবিল। পরে পেট্রোবাংলার সঙ্গে একটি অনলাইন বৈঠকও করে প্রতিষ্ঠানটি। বৈঠকে এক্সনমবিলের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, এক্সনমবিল জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্র আহ্বান করা হলে তারা একটি ডেটা প্যাকেজ কিনেছিল। এবারের দরপত্র প্রক্রিয়াতেও অংশ নিতে প্রয়োজনীয় নথি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক্সনমবিলসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য জ্বালানি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখবে সরকার। এ ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদলের যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা রয়েছে। সফরে দেশটির বড় জ্বালানি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন তারা। এদিকে, ব্রিটিশ জ্বালানি কোম্পানি বিপিও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা পেট্রোবাংলার সঙ্গে একটি অনলাইন বৈঠক করেন। - কেআর

শুরুতে ধাক্কা, শেষে দাপট, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সার বড় জয়

শুরুতে ধাক্কা, শেষে দাপট, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সার বড় জয়

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ম্যাচের ২৮তম মিনিটে আলেক্সেই বাতরাকভের গোলে এগিয়ে যায় গালাতাসারাই। রাফায়েল লেয়াওয়ের বাড়ানো বল থেকে নেওয়া বাতরাকভের শট বার্সেলোনার জোয়াও ক্যানসেলোর গায়ে লেগে দিক বদলে জালে ঢোকে। ৬ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকেরা। ভিক্টর ওসিমেনের হেড থেকে পাওয়া বলে গোল করেন বারিস আলপার ইলমাজ। তবে ভিএআরের পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। ৪৩তম মিনিটে দানি ওলমোর স্পর্শে বল পেয়ে বাঁকানো শটে গোল করেন ক্যানসেলো। বিরতির পর আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় সফরকারীরা। ৫০তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ফেরমিন লোপেজ। ৩ মিনিট পর ইয়ামালের দারুণ পাস থেকে ব্যবধান ৩-১ করেন অ্যান্থনি গর্ডন। ৬৫তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা করিম আদেয়েমি বক্সের বাঁ দিক থেকে শটে চতুর্থ গোলটি করেন। এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট পেল বার্সেলোনা। প্রথম ম্যাচে তারা ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়েছিলো। আগামী ২০ অক্টোবর প্যারিসে পিএসজির মুখোমুখি হবে কাতালানরা। তার আগে শনিবার লা লিগায় তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল বেতিস। /শান্ত/

বাংলাদেশকে হতাশ করে অবিশ্বাস্য ড্র আফগানিস্তানের

বাংলাদেশকে হতাশ করে অবিশ্বাস্য ড্র আফগানিস্তানের

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। সামনে বড় লক্ষ্য থাকায় শুরু থেকেই ড্রয়ের দিকে মনযোগ দেয় আফগানরা। একাধিকবার বোলিং পরিবর্তন করেও সাফল্যের দেখা পাচ্ছিলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বেশ সাদা-মাটা বোলিং করেছেন বাংলাদেশের স্পিনত্রয়ী তাইজুল-মিরাজ-নাঈম। আবু ধাবির উইকেট ব্যাটারদের পক্ষে থাকলেও প্রচণ্ড গরমে টানা ব্যাটিং করা সহজ না। প্রথম সেশনেই ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে শহীদিকে। ৩৩ বলে ২০ রান করেন তিনি। লাঞ্চের কিছুক্ষণ আগে উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। ৭৮তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে খাটো লেংথে করেছিলেন এবাদত। সেখানে পুল করতে গিয়ে ভুল করেন ইকরাম আলিখিল। ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটের পেছনে, সেখানে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নেন উইকেটকিপার লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ইকরামের ব্যাট থেকে এসেছে ৬৯ বলে ৩৩ রান। পঞ্চম উইকেটেও দেখে-শুনে খেলে যাচ্ছিলেন আতাল ও ইসমত আলম। দুইজন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। মেহেদী হাসান মিরাজের করা বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ ‍তুলে সাজঘরে ফেরেন ইসমত। ৬০ বল খেলে ৪ রান করেন এই ব্যাটার। এরপর ব্যাট করতে আসেন প্রথম সেশনে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যাওয়া হাসমতউল্লাহ শহীদি। এবারও জুটি ভাঙেন মিরাজ। বাংলাদেশি এই স্পিনারের করা বলে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ তুলে দেন হাসমত। আউট হওয়ার আগে করেন ৬৯ বলে ৩৬ রান। আপন তালে খেলতে থাকা আফগান ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ক্যারিরের প্রথম সেঞ্চুরির তুলে নেন। দিনের শেষ পর্যন্ত খেলে যেতে পারেননি তিনি। ১১১ রান করতে তিনি খেলেছেন ৩৩২ বল। তার এই ইনিংসটি নয়টি চার ও তিনটি ছক্কায় সাজানো। আতালের বিদায়ের পরও দিনের ২৩.২ ওভার বাকিই ছিলো। শেষদিনের শেষ বিকেলে টেলএন্ডারদের পক্ষে এত ওভার খেলা কঠিনই ছিলো। তাই মনে হচ্ছিলো সহজেই জিতে যাবে বাংলাদেশ। কিন্তু অষ্টম উইকেটে খুঁটি গেড়ে ব্যাট করতে থাকেন ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদ। কয়েকটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি টাইগাররা। শেষ মুহূর্তে ৮৫ বলে ১৯ রানে আহমেদজাই ফিরলেও কোনো লাভ হয়নি। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দিনশেষ করেন কায়েস। /আকরাম/

পঞ্চমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা শুভমান গিল

পঞ্চমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা শুভমান গিল

এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার জিতলেন ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক। পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চবার এই সম্মান জিতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন গিল। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি ও সেপ্টেম্বর এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও জুলাইয়ে মাসসেরার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তিনি। তিনবার এই পুরস্কার জিতে তালিকার পরের অবস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের বাবর আজম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১১০ রানের ঝলমলে ইনিংস। তাঁর দাপুটে ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১৩৩ বলে ২২৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। গিলের এই অসাধারণ ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৪০৬ রানের বিশাল লক্ষ্য ৮ উইকেট হাতে রেখে এবং ৩৯ বল বাকি থাকতেই অতিক্রম করে ভারত। এদিকে নারী ক্রিকেটারদের বিভাগে সেপ্টেম্বর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের ওপেনার শেফালি ভার্মা। নারী এশিয়া কাপে ভারতের শিরোপা জয়ের পথে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন শেফালি। পুরো টুর্নামেন্টে ১৮৪.৬১ স্ট্রাইক রেটে ৩৬০ রান করার পাশাপাশি বল হাতেও নিয়েছেন ৬ উইকেট। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে অপরাজিত ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৪৮ রান। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে প্রথমবারের মতো আইসিসির মাসসেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন শেফালি। এইবার দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতলেন তিনি। /আকরাম/

গোপন বেতন কেলেঙ্কারিতে জড়ালেন ইনফান্তিনো!

গোপন বেতন কেলেঙ্কারিতে জড়ালেন ইনফান্তিনো!

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এফডব্লিউসি২০২৬ ইউএস ইঙ্ক তাকে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার দিয়েছিল। ফিফা ওই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে সেই অর্থ প্রকাশ্যে না আনায় সন্দেহ জেগেছে। ২০২৪ সালের ফিফার বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনফান্তিনোকে দেওয়া হয়েছে ৪২ লাখ ৭০ হাজার সুইস ফ্রাঁ। সেখানে সেই বাড়তি অর্থ গ্রহণের বিষয়টি বাদ পড়েছে। ফিফার নিজস্ব বিধানে লেখা আছে, ফিফা প্রেসিডেন্টের ‘ব্যক্তিগত পারিশ্রমিক অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে’। সবার আগে মার্কিন রাজস্ব পরিষেবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে দ্য টাইমস। এই গণমাধ্যমকে ফিফার গভর্নেন্স কমিটির সাবেক প্রধান মিগুয়েল মাদুরো বলেছেন, বাড়তি পারিশ্রমিক ঘোষণা করতে না পারা সংস্থাটির নিয়মের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন, ফিফার সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলো থেকে যদি তাকে অন্য কোনো অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে এবং তা ঘোষণা করা না হয়ে থাকে, এটি নিয়মের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি এই বিষয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ২০২৪ সালে ওই ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের সঙ্গে মূল বেতন ও বোনাসের বাইরে আরও ৬ লাখ ২৬ হাজার ২২৯ ডলার পেয়েছিলেন ইনফান্তিনো। তার গোপন বেতনের বিষয়টি প্রকাশ করা একটি সূত্র দ্য টাইমসকে জানিয়েছে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের জন্য ইনফান্তিনো সমপরিমাণ বা সম্ভবত তারও বেশি অর্থ পেয়েছেন। /আকরাম/

After Sports
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের প্রাণহানি

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের প্রাণহানি

বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন ও রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের প্রাণহানি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি একই সময়ে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪১, খুলনা বিভাগে ২৫৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪, রাজশাহী বিভাগে ১৭০, রংপুর বিভাগে ৭০ ও সিলেট বিভাগে ১৭ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সবমিলিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ১৪৩ জন মারা গেছেন। এছাড়া উল্লিখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫, বরিশাল বিভাগে ২৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৬ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। /এমএএইচ/

হাম উপসর্গে একদিনে প্রাণ গেলো ৭ জনের

হাম উপসর্গে একদিনে প্রাণ গেলো ৭ জনের

বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জন, ময়মনসিংহ একজন ও বরিশালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১৭৭ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এই নিয়ে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৫৭০ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৮ জন। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৮৪০ জনে। /এমএএইচ/

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহজনক হামে ঢাকায় ২৯৫ জন, সিলেটে ১৪২, চট্টগ্রামে ২৪৬, রাজশাহীতে ৩৭, ময়মনসিংহে ৭২, বরিশালে ১৩২, খুলনায় ১২৬ ও রংপুরে ২৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। নিশ্চিত হামে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৬৩, চট্টগ্রামে ৬৭ ও খুলনায় নয়জন। হামে উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় তিনজন, সিলেটে একজন ও চট্টগ্রামের দুইজন। গত মার্চ থেকে এই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের। হামের উপসর্গে ১০৬৬ জন মারা গেছেন। এই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ২২ হাজার ৭১২ জন। হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে দুই লাখ ৭ হাজার, ৩৭১ জনের মধ্যে। হামের উপসর্গ নিয়ে এই পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭২ জন। /আকরাম/

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে পালানোর চেষ্টা যুবকের, অতঃপর...

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে পালানোর চেষ্টা যুবকের, অতঃপর...

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে হর্ষিত লাভানিয়ার বিয়ে হয়েছিল। দাম্পত্য বিরোধের কারণে গত ৬ মাস ধরে তিনি স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকছিলেন। ভাড়া করা ফ্ল্যাটটিতে একাই থাকতেন তিনি। ঘটনার দিন হর্ষিতের স্ত্রী তাঁর ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দেন। স্ত্রীর সঙ্গে আবারো তর্ক-বিতর্ক হতে পারে- এমন আশঙ্কায় তিনি দরজা খুলতে চাননি। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাইরে আসার জন্য বলেন এবং কথা বলার চেষ্টা করেন। হর্ষিত রাজি হননি। পরে দরজা খোলার জন্য তার স্ত্রী নিরাপত্তাকর্মীদের ডাকেন। এই সময় হর্ষিত ফ্ল্যাটের বারান্দা দিয়ে নিচের তলায় যাওয়ার চেষ্টা করার সময় পিছলে নিচে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। আবাসিক কমপ্লেক্সের কয়েকজন সদস্য তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হর্ষিতের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে চলমান বিরোধের কারণে তিনি মানসিকভাবে চাপে ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ হর্ষিতের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং আবাসিক কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখছে।

ভারতের তরুণদের আন্দোলনে বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে: নেহা বোরা

ভারতের তরুণদের আন্দোলনে বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে: নেহা বোরা

ভারতের তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে পড়া চলমান বিক্ষোভে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা)-র সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই কথা জানান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন নেহা বোরা। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ভারতজুড়ে এখন যে জেন-জি আন্দোলন চলছে, তা মূলত শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে দেখে। আমাদের পথ দেখানোর জন্য ও ভারতের তরুণ সমাজের প্রতি সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা জানি, বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা ছিলো, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই। বর্তমানে ভারতে যে বিক্ষোভ চলছে, তার উদ্দেশ্যেও এক। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা পেয়েছি ও আপনাদের করা আন্দোলন থেকে শিখতে পেরেছি। আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো। //আইই//

ছিনতাইয়ের সতর্কবার্তা: জয়পুরে উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণ

ছিনতাইয়ের সতর্কবার্তা: জয়পুরে উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণ

ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ভারতের দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ জয়পুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) এই ঘটনা ঘটে। পরে প্রাথমিক তদন্তে হুমকিটি ভুয়া বলে জানা গেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২০৩০ ফ্লাইটটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছিলো। উড়োজাহাজটি থেকে ছিনতাই-সংক্রান্ত জরুরি সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে এর গতিপথ পরিবর্তন করে জয়পুরে অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করে। অবতরণের পর উড়োজাহাজটিকে আলাদা স্থানে নিয়ে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। যাত্রী ও ক্রুরা নিরাপদে ছিলেন এবং তল্লাশির পর তাঁদের নামতে দেওয়া হয়। সংকেতটি কীভাবে এসেছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। //আইই//

আরামকোর সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আরামকোর সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর সদর দপ্তর কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে এ হামলার পর একটি প্রশাসনিক ভবনে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, আরামকোর সদর দপ্তর কমপ্লেক্সের একটি অফিস ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে ভবনটির ওপরের তিনটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পর ভবনটিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত কয়েকটি সূত্র। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার পর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। আগুনের মাত্রা সীমিত ছিলো এবং কোনো প্রাণহানি বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকোর এ কমপ্লেক্সে কোম্পানিটির গুরুত্বপূর্ণ পরিচালনাকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সৌদি আরবের স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক তেলক্ষেত্র, পাইপলাইন, শোধনাগার এবং তেল রপ্তানি টার্মিনালের বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনা ঘটলো। ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে রিয়াদের ভূমিকার জেরে গত কয়েক দিন ধরে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে হুথিরা। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুথি নিয়ন্ত্রিত জ্বালানি স্থাপনাসহ কয়েকটি স্থানে হামলা চালায়। এর জবাবে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছিলো হুথি গোষ্ঠী। তাদের ঘোষিত সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আরামকোর সদর দপ্তরও ছিলো। //আইই//

৪০০ পরিবারের পাশে রাশমিকা

৪০০ পরিবারের পাশে রাশমিকা

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এই উদ্যোগের কথা জানান রাশমিকা। তিনি বলেন, প্রতি ৩ মাসে ৪০০টি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ বহন করবেন। এতে পরিবারগুলো মুদি পণ্যের পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থ সঞ্চয় করতে পারবে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবে বলে আশা তার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিটি পরিবারের জন্য থাকছে ৭৫ কেজি চাল, ১০ কেজি আটা, ৩ কেজি রাগি, ১০ লিটার রান্নার তেল, ১৫ কেজি ডাল, ৩ কেজি চিনি ও ৩ কেজি লবণ। পাশাপাশি দেওয়া হবে বিভিন্ন মসলা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। নিজের নতুন সিনেমা ‘রানাবালি’র জয়াম্মা চরিত্রের প্রসঙ্গ টেনে রাশমিকা জানান, অভিনীত চরিত্র অনেক সময় শিল্পীর ব্যক্তিজীবনেও প্রভাব ফেলে। তবে মানবিক কাজ তার স্বভাবেরই অংশ। আগে এসব উদ্যোগের কথা প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। এবার অন্যদের ভালো কাজে উৎসাহিত করার আশায় বিষয়টি সামনে এনেছেন। রাশমিকার ভাষায়, ‘ছোট্ট একটি ভালো কাজও কারও জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। এর জন্য বড় কিছু করার প্রয়োজন নেই। চলুন, ছোট কিছু দিয়ে শুরু করি।’ /শান্ত/

Entertainment Sidebar
Entertainment Sidebar Bottom
কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?

কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?

যা লাগবে শসা, বেল পেপার অথবা ক্যাপসিকাম, রসুন, সামান‍্য গোলমরিচ (ব্ল্যাক পেপার) পাউডার, সামান্য পিংক সল্ট, দুটি কাঁচামরিচ কুচি, খাবার ভিনেগার। কেউ চাইলে হোয়াইট ভিনেগার বা রাইস ভিনেগার দিয়েও করতে পারেন। উপকারিতা জাপানিজ সবজি ভিনেগার পিকল হজমশক্তি বাড়ায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। একবারে অনেক বেশি না খেয়ে প্রতিদিন মূল খাবারের সাথে অল্প পরিমাণে (সাইড ডিশ হিসেবে) খেতে হয়। বাংলাদেশে যেসব সবজি সহজে পাওয়া যায় যেমন পেঁপে, লাউ, শসা, গাজর, মুলা, মিষ্টি কুমড়া, ক্যাপসিকাম, বেগুন, বাঁধাকপি ফুলকপি ইত্যাদি দিয়েও তৈরি করা সম্ভব। একবার বানিয়ে কাঁচের জারে করে ফ্রিজে রেখে দিলে পুরো এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যে খাওয়া যায়। /শিউলী/

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের প্রাণহানি

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের প্রাণহানি

বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন ও রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের প্রাণহানি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সবচেয়ে বেশি ৪১৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি একই সময়ে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪১, খুলনা বিভাগে ২৫৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪, রাজশাহী বিভাগে ১৭০, রংপুর বিভাগে ৭০ ও সিলেট বিভাগে ১৭ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সবমিলিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ১৪৩ জন মারা গেছেন। এছাড়া উল্লিখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫, বরিশাল বিভাগে ২৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৬ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। /এমএএইচ/

স্ত্রীকে ঘরের কাজে সাহায্য করা ছোট হওয়ার নয়

স্ত্রীকে ঘরের কাজে সাহায্য করা ছোট হওয়ার নয়

অফিস শেষে বাড়ি ফিরে বউ আপনাকে চা/কফি করে দিবে, রান্না করে গরম গরম খাবার খাওয়াবে আর আপনি বসে টিভি দেখবেন, কিংবা বন্ধুদের সাথে ফোনে গল্প করবেন-তেমন মানসিকতা থাকলে হবে না। সেক্ষেত্রে আপনাকেও তার কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। চা/কফিটা না হয় আপনিই করুন, দুজনে মিলে খান। এরপর আপনার স্ত্রী যখন রান্না করতে যাবে, হাতে হাতে তাকে কিছু কাজ এগিয়ে দিন। এতে আপনার স্ত্রী খুশি হবেন, কাজেও অনুপ্রেরণা পাবেন। রান্না শেষে খাবারটা না হয় আপনিই পরিবেশন করুন। খাওয়া শেষে নিজের প্লেটটা নিজেই ধুয়ে নিন। আপনার স্ত্রী বাকি প্লেট বাটিগুলো ধুতে থাকলে আপনি খাবারগুলো গুছিয়ে রাখুন। তাতে স্ত্রীর উপর কাজের চাপ অনেকটা কমে যাবে। স্ত্রী যদি চাকরিজীবি না হয়, তবে বাড়ি ফিরে তাকে কিছু সময় দিন। তাতে তার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে। কোনো একটা ছুটির দিনে তাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসতে পারেন। পথের পাশে দাঁড়িয়ে এক প্লেট ফুচকাই খান। তাতে সংসার এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালনে তার ক্লান্তি দূর হবে। ভালোবাসা এবং হৃদ্যতা বাড়বে। স্ত্রীকে পাশে থেকে সহায়তা করলে দুজনের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্মান বাড়ে। সহযোগিতা মানে শুধু রান্নাই করতে হবে, তা নয়। ছোটছোট কাজগুলো পাশে থেকে করে দিলেও সাহায্য হয়। /শিউলী/

পূজার সাজে শাড়ির সঙ্গে যেমন ব্লাউজ পরবেন

পূজার সাজে শাড়ির সঙ্গে যেমন ব্লাউজ পরবেন

সময় বদলেছে। এখন আর কেউ শাড়ির সাথে ম্যাচিং করে ব্লাউজ পরে না। অনুষ্ঠানের ধরণ বুঝে তৈরি করে নেন নানারকম ব্লাউজ। বর্তমানে টিনএজার মেয়েরা যতই ওয়েস্টার্ণ পোশাক পরুক না কেন, শাড়ির আবেদনও তাদের কাছে কম নয়। তারা নানা ঢঙের ব্লাউজ বানিয়ে নিজেদের সাজে নিয়ে আসে বিশেষ চমক। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের সম্পর্কটা শুধু মিলিয়ে পরার নয়। একে অন্যকে ভিন্নভাবে ফুটিয়ে তোলারও। ব্লাউজের কাট, কাপড়, হাতা কিংবা নকশায় সামান্য পরিবর্তনেই বদলে যেতে পারে শাড়ির পুরো সৌন্দর্য। পূজায় লাল-সাদা রং বেশি পরা হয়। সেখানে কাট আর সাজে নিয়ে আসা যায় ভিন্নতা। যেমন ব্লাউজ পড়বেন সুতি শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাধীনভাবে ভাবা যায়। যে কোনো চেক কাপড়ের ব্লাউজ যেমন মানায়, জয়পুরিও মানিয়ে যায়। লেস লাগিয়ে নিলে, একটু সাবেকি ঢঙে ব্লাউজটি বানিয়ে নিলে চমৎকার ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। হাতায় কুচি দিয়ে ঘটি হাতার চলও সমানতালে জনপ্রিয়। চাইলে সিল্কের ব্লাউজও পরা যায়। একটু ম্যাট ধরনের, তাহলে সুতি শাড়ির সঙ্গে বেশ ভালো মানায়। মসলিন শাড়ির ক্ষেত্রে অবশ্য মসলিন বা সিল্কের ব্লাউজই বেশি মানানসই। সাধারণ রঙের ব্লাউজে চিকন লেস বা সামান্য হাতের কাজ থাকলে দারুণ মানিয়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের সুতি শাড়ির সঙ্গেও পরা যায়। চোলি কাটের ব্লাউজে কারচুপি বা অন্য কোনো কাজ থাকলে মসলিন, বেনারসি কাতানের সঙ্গে পরলে বেশ অভিজাত লাগে। টপ স্টাইলের ব্লাউজও শাড়ির সঙ্গে চমৎকার লাগে। পূজা বা অন্য কোনো উৎসবে যখন একটু আরামদায়ক সাজ চাই, প্লিট করে পরা শাড়ির সঙ্গে এই ধরনের ব্লাউজ বেশ মানিয়ে যায়। আঁচল যেভাবে রাখবেন যারা শাড়ির আঁচল ছেড়ে রাখতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য হাফ হাতা বা ফুল হাতার সাধারণ কাটের ব্লাউজ বেশ ভালো মানায়। বয়স, শাড়ির ধরন ও ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নির্ভর করে সেজে নিতে পারেন। শাড়ির ধরন ও আঁচল কীভাবে পরা হচ্ছে, সেটি বুঝে ব্লাউজের কাট ও নকশা বেছে নেওয়া জরুরি। মসলিন শাড়ির আঁচল সাধারণত প্লিট করে পরার চেয়ে ছেড়ে রাখলেই বেশি সুন্দর লাগে। সুতি শাড়ির আঁচলে সুন্দর কাজ থাকলে, সেটিও ছেড়ে রাখলে শাড়ির নকশাটা ভালোভাবে ফুটে ওঠে। দেশীয় বেনারসি বা কাতানের আঁচল ছেড়ে রাখলে শাড়ির নিজস্ব আবেদন বজায় থাকে। মূল বিষয় হলো শাড়ি ও ব্লাউজ দুটোরই আলাদা সৌন্দর্য যেন প্রকাশ পায়। শাড়ির ধরন ও আঁচল কীভাবে পরা হচ্ছে, সেটি বুঝে ব্লাউজের কাট ও নকশা বেছে নিতে হবে। /শিউলী/

After Lifestyle
প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর

প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর

মঙ্গলবার (১৩ অক্বোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ন্যাশনাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ (এনপিএপি) বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল ‘চক্রাকার অর্থনীতির পথে সমন্বিত উদ্যোগ’। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিক দূষণ নগরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, নদী, জলাভূমি, উপকূল, জনস্বাস্থ্য ও বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে। আবার প্লাস্টিক উৎপাদন, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত। তাই এ সমস্যার সমাধানে উৎপাদন থেকে ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে বিবেচনায় নিতে হবে। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা, ২০২৬ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নীতিমালার সুফল পেতে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য, উৎপাদক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এনপিএপি বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্ল্যাটফর্ম বিচ্ছিন্ন উদ্যোগগুলোকে যুক্ত করতে, নীতির সঙ্গে বাস্তবায়নের সংযোগ ঘটাতে, উদ্ভাবকদের বাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এবং জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিনিয়োগ সমন্বয়ে সহায়তা করবে। সরকার নেতৃত্ব দেবে, তবে এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সব খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি এনপিএপি বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। মন্ত্রী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস্তবসম্মত সমাধান ও বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানকে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তি শক্তিশালী করতে, উন্নয়ন সহযোগীদের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সহযোগিতা সমন্বয় করতে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চক্রাকার অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এনপিএপির সাফল্য সভার সংখ্যা দিয়ে নয়, বাস্তব ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, নির্ভরযোগ্য তথ্যের উন্নতি, সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কার্যকর সমাধানের প্রসার এবং জনগোষ্ঠী ও বর্জ্যকর্মীদের অবস্থার উন্নতিই হবে সাফল্যের মাপকাঠি। অনুষ্ঠানে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ বলেন, প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব বর্জ্য ফেলার স্থানেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি নালা বন্ধ করে, জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ায় এবং নদীর মাধ্যমে সাগরে পৌঁছায়। প্লাস্টিকসহ বর্জ্য খোলা জায়গায় পোড়ানোর ফলে ক্ষতিকর কণা ও বিষাক্ত পদার্থ বাতাসে ছড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বর্জ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, পরিবারকে বর্জ্য আলাদা করতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সংগ্রহের সময় তা আলাদা রাখা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপের পরিচালক ক্লেমঁস শ্মিড ভিডিও বার্তা দেন। এনপিএপি বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে একটি নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্লাস্টিকসংক্রান্ত অভিন্ন জাতীয় তথ্যভিত্তি তৈরি, অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং তথ্যপ্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে বলে ইউএনডিপি মত দেয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান হায়দার এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার এম. আসাদুজ্জামান,বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থা, কূটনৈতিক মিশন, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। - কেআর

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

সোমবার (১২ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও (১৫ অক্টোবর) একই ধরনের পূর্বাভাস রয়েছে। এসব দিনে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। /শান্ত/

Environment Sidebar
সবজি চাষে লোকসান, আনারকলিতে ১০ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন

সবজি চাষে লোকসান, আনারকলিতে ১০ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন

মিঠুর বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে লালচে-বেগুনি রঙের আনারকলি। নতুন এই ফলের চাষ দেখতে এবং পদ্ধতি জানতে বাগানে ভিড় করছেন আশপাশের কৃষকেরা। মিঠু বলেন, আগে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতেন তিনি। কিন্তু উৎপাদন খরচ বেশি হওয়া এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বারবার লোকসান হচ্ছিলো। একপর্যায়ে ইউটিউবে আনারকলি চাষের ভিডিও দেখে আগ্রহী হন। পরে খোঁজখবর নিয়ে নিজের জমিতে এই ফলের চাষ শুরু করেন। তিনি জানান, চারা রোপণ, মাচা তৈরি ও পরিচর্যাসহ এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গাছ লাগানোর ছয় মাসের মধ্যেই ফুল ও ফল আসতে শুরু করে। বাজারে প্রতি কেজি আনারকলি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। একটি গাছ থেকে কয়েক দফায় ফল সংগ্রহ করা যায় বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে চাষের পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার। স্থানীয় কৃষকেরা মিঠুর বাগান দেখে আনারকলি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ পরীক্ষামূলকভাবে এই ফল চাষের পরিকল্পনা করছেন। মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, মেহেরপুরের মাটিতে আনারকলি চাষ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। নতুন ফসল চাষের আগে মাটির উপযোগিতা, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন খরচ ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি। এই ধরনের চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। /শান্ত/

কলা চাষে সাড়া ফেলেছেন হাফিজুর

কলা চাষে সাড়া ফেলেছেন হাফিজুর

বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে গড়ে তোলা বাগানে এখন সারি সারি কলাগাছে ফল ধরেছে। এর মধ্যে ১২০০টি সাগর কলার চারা গত বছরের আশ্বিন মাসে রোপণ করেন হাফিজুর। বেশির ভাগ গাছেই কলা ধরেছে। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর বর্তমানে বোয়ালমারীতে বসবাস করছেন। স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একেএম হামিদুল বারী বরুণ মিয়ার কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে কলা চাষ শুরু করেন তিনি। জমিটির বড় একটি অংশ আগে পরিত্যক্ত ছিলো। সেটি পরিষ্কার করে চাষের উপযোগী করেন হাফিজুর। তিনি জানান, বাগান তৈরি থেকে ফলন আসা পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ কাঁদি সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে। আকার ও মানভেদে প্রতি কাঁদি কলার পাইকারি দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। হাফিজুর বলেন, মাছ ও ফিলিপাইন জাতের আখ চাষের পর নতুন কিছু করার চিন্তা থেকে কলা চাষে আগ্রহী হন। নিয়মিত পরিচর্যার প্রায় ১০ মাস পর গাছে ফল আসতে শুরু করে। এখন কলার পাশাপাশি গাছের গোড়ায় জন্মানো চারাও বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিটি চারা ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তার বাগান দেখতে আসছেন। কেউ কলা কিনছেন, আবার কেউ চারা সংগ্রহ করে চাষের পরিকল্পনা করছেন। হাফিজুরের আশা, ভবিষ্যতে তার বাগানের কলা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতে পারবেন। বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভীর রহমান জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে হাফিজুরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হবে। স্থানীয়ভাবে কলার উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং এলাকার চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। /শান্ত/

অনলাইন জরিপ

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষক বাজার চালুর উদ্যোগকে আপনি কতটা কার্যকর মনে করেন?

হ্যাঁ৫
না০
মন্তব্য নেই১

মোট ভোট: ৬

After Media Galleries
Namaz
ফজর --:--
জোহর --:--
আসর --:--
মাগরিব --:--
ইশা --:--

ঢাকা

Prayer Times Sidebar